প্রবাস বন্ধু পাঠচক্র ও গ্রন্থাগার

হিউস্টন, টেক্সাস
Menu   ≡ ╳
  • Home
  • আমাদের কথা
    • স্মৃতির বারান্দায়
    • সদস্য ও সদস্যা
    • শুধু সদস্য/সদস্যাদের জন্য
  • সাহিত্য সভা
    • ক্যালেন্ডার
    • আগামী সভা
    • পুরোনো সভা
  • পত্রিকা
    • আগামী পত্রিকা
    • লেখা জমা দেওয়া
    • প্রকাশিত পত্রিকা
  • গ্রন্থাগার
    • বইয়ের তালিকা
    • বাংলা ই-লাইব্রেরী
  • লেখক/লেখিকা
  • সাক্ষাৎকার
  • ব্লগ
  • অন্যান্য বিষয়
  • ছবির অলিন্দে
  • যোগাযোগ করুন
Menu
  • Home
  • আমাদের কথা
    • স্মৃতির বারান্দায়
    • সদস্য ও সদস্যা
    • শুধু সদস্য/সদস্যাদের জন্য
  • সাহিত্য সভা
    • ক্যালেন্ডার
    • আগামী সভা
    • পুরোনো সভা
  • পত্রিকা
    • আগামী পত্রিকা
    • লেখা জমা দেওয়া
    • প্রকাশিত পত্রিকা
  • গ্রন্থাগার
    • বইয়ের তালিকা
    • বাংলা ই-লাইব্রেরী
  • লেখক/লেখিকা
  • সাক্ষাৎকার
  • ব্লগ
  • অন্যান্য বিষয়
  • ছবির অলিন্দে
  • যোগাযোগ করুন
 

বই: দুনিয়ার-বই আর বইয়ের-দুনিয়া : বিশ্ব বইদিবস: এপ্রিল ২৩

সুমিতা বসুর কলমে 

১৯৯৫ সাল থেকে UNESCO-র উদ্যোগে এপ্রিল ২৩ “বিশ্ব বইদিবস” নামে চিহ্নিত। এই দিনটি বিশেষ ভাবে পালিত হয় ইউরোপের অনেক দেশেই : ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, স্পেন ইত্যাদি। আমেরিকার মেরিল্যান্ডে পথ সভা ও উৎসব হয় এই বই দিনটিকে ঘিরে (২৩ এপ্রিলের নিকটবর্তী পরের শনিবারে ) । সকলকে, বিশেষত পরবর্তী প্রজন্মকে বইয়ের প্রতি উৎসাহিত করা, তাদের চোখের সামনে বইয়ের মাধ্যমে দুনিয়াটা খুলে দেওয়া, তুলে ধরাই —প্রাথমিক উদ্দেশ্য। 

এখনো পৃথিবীতে প্রতি পাঁচ জনের মধ্যে একজন বই পড়তে পারেন না। যদিও আধুনিক দুনিয়ায় অনেক চেষ্টা হচ্ছে কীভাবে ‘literacy ‘ বাড়ানো যায়, তবু এই তথ্য মন খারাপ করে দেয়। তাছাড়া বই প্রকাশে গাছের মৃত্যু, অর্থাৎ প্রতি ৫০-টি বই করতে গড়ে একটি গাছ কাটতে হয় ! ই-বুক এর চল বাড়লেও হাতে বই নেওয়ার মতো আনন্দ বোধহয় আর কিছুতেই নেই। বিশ্ব বইদিবসে প্রতি বছর এক একটি দেশ হয় তার পুরোধা, ২০২০ তে কুয়ালালামপুর ছিল নির্দিষ্ট দেশ, করোনার কোপে তা মুলতুবি রইলো। ঘরে বসেই যা বই পড়া যায় বা আলোচনা করা যায়। সেই ভাবনা থেকেই কলম ধরেছি। 

আজ “বিশ্ব বইদিবস” নিয়ে কিছু তথ্য জানা যাক। অনেক তথ্যই আন্তর্জালের থেকে নেওয়া এবং ছবিটিও, কৃতজ্ঞতা রইলো।  
এই Book Day Celebration নিয়ে প্রথম ভাবনাটা আসে স্প্যানিশ লেখক ভিনসেন্ট এন্ড্রেসের মাথায়, উদ্দেশ্য বরেণ্য লেখক মিগেল দ্য সার্ভান্তেসকে ও তাঁর সাহিত্যকীর্তিকে সম্মান জানানো। ২৩ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু দিবস। মিগেল ছিলেন বিখ্যাত উপন্যাস ডন কুইক্সিটের লেখক এবং স্প্যানিশ সাহিত্যের উজ্জ্বল জোতিষ্ক। দেখা গেলো, ২৩ এপ্রিল অনেক লেখকেরই মৃত্যু দিবস, এমনকি শেক্সপীয়ারেরও। আরও লক্ষণীয় ব্যাপার, সার্ভান্তেস ও শেক্সপীয়ার একই দিনে মারা গিয়েছিলেন, ২৩ এপ্রিল ১৬১৬ তবে যেহেতু স্পেন ও ইংল্যান্ড তখন অন্য ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতো ( Spain used the Gregorian calendar and England used the Julian calendar) এবং তাদের দিনের হেরফের ছিল ১০ দিনের মতো, তাই সময় ও দিনটা আলাদা হয়ে গেলো। কিন্তু তথ্যটা বেশ অদ্ভুত, তাই না ?

বই নিয়ে অনেক মজার ও দরকারি তথ্য পাওয়া যায়, যদিও এদের উৎস ইন্টারনেট বলে সব সময় এর সত্যাসত্য বাজিয়ে নেওয়াই ভালো। পাঠকের পাঠের আনন্দের জন্য দিলাম : 

শোনা যায় মার্কিন ২৬ তম প্রেসিডেন্ট (১৯০১ থেকে ১৯০৯) মাননীয় থিওডোর রুজভেল্ট (Teddy Roosevelt / ১৮৫৮-১৯১৯) ছিলেন বইয়ের পোকা। তাঁর সংগ্রহেও ছিল অনেক বই– দিনে একটা করে বই পড়তেন তিনি ! ভাবা যায় ! আর প্রেসিডেন্ট হিসেবেও অনেক কাজ করে গেছেন, অনায়াসে। অবশ্য তাঁর “Photographic Memory ” নিয়ে গল্পও শোনা যায়। ৩৫টি বই তিনি নিজে লিখেছিলেন, সঙ্গে এক আত্মজীবনীও। এছাড়া পত্র সাহিত্য তো আমরা ভুলতেই বসেছি, রুজভেল্টের ছিল ১ লক্ষ ৫০ হাজারের ওপর চিঠি ! 

১৯৯৪ সালে সব থেকে দামী বই (ম্যানুস্ক্রিপ্ট ) নাকি কিনেছেন বিল গেটস— বইটির নাম : Codex Leicester by Leonardo Da Vinci আর দাম: $30.8 million, আর ১৫০৬ থেকে ১৫১০ এর মধ্যে লিখিত ৭২ পৃষ্ঠার এই নোট বইতে অজস্র ছবি, আঁকি বুঁকি, দাভিঞ্চির মনের ভাবনা, সাহিত্য চিন্তা সবই ধরা আছে। 

প্রথম টাইপ রাইটার ব্যবহার করে ম্যানুস্ক্রিপ্টকে প্রকাশকের কাছে পাঠানোর গল্প শোনা যায় মার্ক টোয়াইনের, Life on the Mississippi বইটিকে ঘিরে, সাল ১৮৮২।

ইজিপ্টের ভূমধ্য সাগরের নিকটবর্তী আলেক্সজান্ড্রিয়ার বিখ্যাত গ্রন্থাগারের কথা সকলেই জানেন। ৪ লক্ষেরও বেশী সংগ্রহ ছিল সেখানে। নিয়ম ছিল বন্দরে যে কোনো জাহাজ এলেই সেখান থেকে বইগুলি জমা দিতে হবে। অবশ্য তার এক কপি বই-ওলাকে ফেরত দেওয়া হতো। এই ভাবে পৃথিবীর ইতিহাস ও মানব সভ্যতার ইতিহাস জমা হচ্ছিল সেখানে, দায়িত্বপূর্ণ ভাবে। মর্মান্তিক আগুনে এই লাইব্রেরি পুড়ে ছারখার হয়ে যায় আর এই সঙ্গে মানবসভ্যতার ইতিহাসও হয় বিলুপ্ত। আমরা বুঝি হাজার বছর পিছিয়ে গেলাম আমাদের পূর্বতন শিকড় সম্বন্ধে জানার থেকে ! 

পুরোনো বইয়ের একটা আমেজ আছে আছে মাদকতা ! বিশেষত যারা বই ঘাঁটতে, বইয়ের মধ্যে আর একটা ইতিহাস বা গল্প খুঁজতে ভালোবাসে। এর একটা ইংরিজি শব্দও আছে, “bibliosmia” । 

আবার কার্বন ডেটিং এর মতো ঐতিহাসিকরা পুরোনো বইয়ের গন্ধ-এ আবিষ্কার করতে পারেন আবার বলেও দিতে পারেন অনেক তথ্য এমনকি –বইয়ের প্রকাশ ইতিহাসও– এই শব্দটি হলো : material degradomics” ।

চারটি আইনের বই মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধানো হয়েছিল এবং ওগুলি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত। 

ভিক্টর হুগোর সুবিখ্যাত উপন্যাস “Les Misérables ” তে সব থেকে লম্বা বাক্য পাওয়া যায় । ঠিক ! আর সেটি ৮২৩ টি শব্দের সমাহার। ভাবা যায় ?

————————————————————
নিম্নোক্ত অংশটি ফেসবুক থেকে নেওয়া এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার রইলো সংগ্রহকের প্রতি:
সংগ্রহ- অয়ন মৈত্র (Ayan Maitra)

আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস। এই সুযোগে চল বই নিয়ে কিছু মজাদার তথ্য জেনে নিই। আমাদের প্রত্যেকের সাথেই এমনটা ঘটে কিন্তু এরও যে কোন নাম আছে তা আমরা জানিইনা। দেখে নেওয়া যাক সেগুলো কি কি।

১) *Dog’s Ear* – আমরা যখন বুকমার্ক হিসেবে বইয়ের পাতার ওপরের দিকের কোণাটা ভাঁজ করে রাখি পড়তে পড়তে উঠে যাওয়ার আগে। 
২) *Librocubicularist* – যে ব্যক্তি বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ে।
৩) *Epeolatry* – এ হল গিয়ে শব্দের আরাধনা করা। শব্দের মধ্যে এক অসামান্য মাধুর্য, বাক্যে তার ব্যবহার মন কে যখন মুগ্ধ করে দেয়। ভাষাবিদ দের মধ্যে এই মোহ বিশেষ দেখা যায়।
৪) *Logophile* – যে ব্যক্তি শব্দের প্রতি মোহাবিষ্ট।
৫)*Bibliosmia* – পুরনো বইয়ের গন্ধ
৬) *Book bosomed* – যে ব্যক্তি বই ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারে না।
৭)* Omnilegent* – যে বিষয়ের বাছ বিচার না করে সব ধরনের বই পড়ে।
৮) *BallyCumber* – অর্ধেক পড়া অবস্থায় যে সব বই রেখে আমরা উঠে যাই,সেই সব বই কে BallyCumber বলে
৯) *Tsundoku* – জাপানীজ শব্দ। ইংরেজী প্রতিশব্দ নেই। এর অর্থ কেনার পর থেকে বই একবারের জন্য না খোলা।
১০) *Princep* -কোন বইয়ের প্রথম ছাপা কপিটিকে princep বলে।
১১) *Sesquipedalian* – যে শব্দে অনেকগুলি Syllable বা পদাংশ থাকে।যেমন- ses/qui/pe/da/li/an
১২) *Colophon* – বইয়ের শিরদাঁড়া, কিংবা প্রচ্ছদে প্রকাশকের যে প্রতীক চিহ্ন দেখা যায়
১৩) *Biblioclasm* – ইচ্ছাকৃতভাবে বই নষ্ট করা।
১৪) *fascile* – খন্ড। প্রথম খন্ড,দ্বিতীয় খন্ড…ইত্যাদি।fascile হল কোন বই অনেকটা সময় ধরে যখন বিভিন্নখণ্ডে প্রকাশিত হয়-যেমন এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, অক্সফোর্ড ডিকশনারি।
১৫) *Afficted* – কোন গল্পের শেষটায় চরম মর্মান্তিক এবং সেটা পড়ার পর প্রবল কাঁদতে ইচ্ছে হলেও কাঁদতে না পারা,লোকে কি ভাববে এই অনুভূতিকে afficted বলে।
১৬) *Bookklempt* – যখন কোন সিরিজের শেষ বইটা পড়ে ফেলেছেন।জানেন যে আর কোন খন্ড বেরোবে না।তবু এই সত্যি কে মেনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নন আপনি।এই অনুভূতিকেই বুককলিম্পিত বলে।
১৭) *Chaptigue* – সারারাত জেগে বই পড়ার পরের দিন সকাল বেলা আপনার যে ভীষন ক্লান্তিবোধটা আসে, জানবেন ওই ক্লান্তিটাকে Chaptigue বলে।
১৮) *Delitrium* – নতুন কেনা বইয়ের গন্ধে আপনার মনে যে ফুরফুরে ভাবটা ওটার নামই Delitrium।
১৯) *Madgedy*- কোন দুঃখের গল্প বারবার পড়া এবং পড়তে পড়তে আবার যে আশা করা এবার নিশ্চয়ই শেষটা অন্য রকম হবে।
২০) *Mehnertia*- কোন বই অনেকটা পড়ার পর থামিয়ে দিয়ে পুনরায় প্রথম থেকে পড়া শুরু করা।কারণ ততক্ষনে আপনি পড়তে পড়তে খেই হারিয়ে ফেলেছেন যে কি পড়ছেন।
২১) *Rageammend*- যখন আপনি পছন্দের বইটা অন্যান্য বন্ধুদেরকে পড়ার জন্য সুপারিশ করবেন আর করার পরই শুনবেন যে তাদের সেটা আগেই পড়া হয়ে গেছে এবং মোটেও ভাল লাগেনি,তখন আপনার মনের যা অবস্থা হয়, সেটাই।
২২)Swapshame- যখন একটা বই পড়ছেন।পড়তে পড়তে অন্য একটা বই যার শুরুটাও মনে ধরেছে।এখন বুঝতে পারছেন কোনটা আসলে পড়বেন। মনের এই অবস্থাটাই Swapshame।

বুঝতেই পারছেন বই তে থাকা জ্ঞান অর্জন করলেও বই নিয়ে এত জ্ঞান থাকতে পারে তা কিন্তু আমাদের জানা ছিল না। বইয়ের কোন বিকল্প হতে পারে না। বই পড়ুন ও অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন।

এই লেখাটি শেয়ার করে অন্যদের ও বই নিয়ে মজাদার তথ্যগুলো জানতে সাহায্য করুন।

সংগ্রহ- অয়ন মৈত্র

ব্লগ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্লগ

  • বই নিয়ে মজার কিছু তথ্য
  • বই নিয়ে আলোচনা:...
  • আমাদের কথা : প্রবাস বন্ধু সম্ব...
  • পুরনো কলকাতার স্থাপত্য
  • গী দ্য মপাসাঁ:...
  • বাংলা অক্ষর
  • রামনিধি গুপ্ত ( নিধুবাবু )
  • পরবাসেও কলকাতা
  • সোলো কনসার্ট
  • যখন :...
Copyright (C) 2020