প্রবাস বন্ধু পাঠচক্র ও গ্রন্থাগার

হিউস্টন, টেক্সাস
Menu   ≡ ╳
  • Home
  • আমাদের কথা
    • স্মৃতির বারান্দায়
    • সদস্য ও সদস্যা
    • শুধু সদস্য/সদস্যাদের জন্য
  • সাহিত্য সভা
    • ক্যালেন্ডার
    • আগামী সভা
    • পুরোনো সভা
  • পত্রিকা
    • আগামী পত্রিকা
    • লেখা জমা দেওয়া
    • প্রকাশিত পত্রিকা
  • গ্রন্থাগার
    • বইয়ের তালিকা
    • বাংলা ই-লাইব্রেরী
  • লেখক/লেখিকা
  • সাক্ষাৎকার
  • ব্লগ
  • অন্যান্য বিষয়
  • ছবির অলিন্দে
  • যোগাযোগ করুন
Menu
  • Home
  • আমাদের কথা
    • স্মৃতির বারান্দায়
    • সদস্য ও সদস্যা
    • শুধু সদস্য/সদস্যাদের জন্য
  • সাহিত্য সভা
    • ক্যালেন্ডার
    • আগামী সভা
    • পুরোনো সভা
  • পত্রিকা
    • আগামী পত্রিকা
    • লেখা জমা দেওয়া
    • প্রকাশিত পত্রিকা
  • গ্রন্থাগার
    • বইয়ের তালিকা
    • বাংলা ই-লাইব্রেরী
  • লেখক/লেখিকা
  • সাক্ষাৎকার
  • ব্লগ
  • অন্যান্য বিষয়
  • ছবির অলিন্দে
  • যোগাযোগ করুন
 

সোলো কনসার্ট

শ্রাবণী রায় আকিলার কলম থেকে ……..চেনা দুঃখ ,চেনা সুখ ….

তখন আমি কত ছোট তা এখন আর আমার মনে নেই. ! সময়টাকে শুধু মহাসিন্ধুর ওপারের মত দূরে বলে মনে হয়। সেই সুদূর সময়ের এক কড়া পাক শীতের সকালে বাবা, এক মাসি আর ছোটমামার সঙ্গে বাদামি রঙের ট্রেনে চেপে আমি গিয়েছিলাম নদিয়ার মাঝদিয়ায় ! নিরালা স্টেশনে পৌঁছনোর পরে শুনলাম আমাদের জন্য গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে স্টেশনের বাইরেই। নিজেদের গাড়ি থাকা দূর অস্ত, গাড়ি চড়ার মতো কোনোরকম কোনো সৌভাগ্যর অবকাশই আমাদের তৎকালীন জীবনে প্রায় ছিলো না। . তাই খুব রোমাঞ্চ অনুভব করে ভাবতে লাগলাম ,”এই তো সন্তু,তোপসের জন্যেও এরকম সারাক্ষন সব জায়গায় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে ! উফ, আজ আমাদের জন্যও ! ” তা বেরিয়ে দেখলাম হুবহু আমারই মতো দেখতে দুটো আস্ত গরু অপেক্ষা করছে ,শুধু সাইজে তারা আমার থেকে অনেক বড় ও হৃষ্টপুষ্ট ! তা বেশ টুং টুং আওয়াজ করতে করতে শীতের কুয়াশা মাখা সবুজের মধ্যে দিয়ে তারা আমাদের একটা মাটির বড় দাওয়াওয়ালা বাড়িতে পৌঁছে দিলো। পৌঁছনো মাত্র বড় বড় পেতলের গ্লাসে গ্লাসে সকলের জন্য খেজুরের রস এলো। খুব শীত ছিলো আর কারোর একটা বিয়ে ছিলো ওখানে। খুব শীতে,খুব গরমে লোকে সবসময় বিয়ে নামে কি যেন একটা হৈ হৈ আর সেজেগুজে করে দেখতাম। আর বিয়ে মানে ছাদে প্যান্ডেল , বা ছাদে প্যান্ডেল মানে বিয়ে এটা আমি ততদিনে বুঝে গেছি। তা যা হোক ,খেজুরের রস দেখে আমি বাবাকে বললাম, “গলায় খুব ব্যাথা, খেতে পারবো না।” বাবা সঙ্গে সঙ্গে হন্তদন্ত হয়ে কোথা থেকে গরমজলে নুন ফেলে নিয়ে এসে বললো “সোনা মা, এটা দিয়ে গার্গল করো ” . সোনা মা গার্গল করায় ততদিনে এক্সপার্ট । প্রতিমাসে জ্বর,কাশি বাঁধা । ওমা তা পঞ্চাশটা সোয়েটার,টুপি ,মাফলার কষে বাঁধা অবস্থায় যেই গলায় জল রেখে গলগলগগলগগল আওয়াজ করে গার্গল করতে শুরু করেছি , অমনি দেখি ,ওই শীতের সকালে পিলপিল করে আমার থেকে ছোট বা আমার বয়সি একগাদা চকচকে তেল মাখা বাচ্চা খালি গায়ে খালি পায়ে আমার সামনে জড় হতে শুরু করেছে । তারা মুগ্ধ দৃষ্টিতে আমার গার্গল করা দেখছে। আমি থেমে গেলেও তারা আবার আমায় গার্গল করতে বলছে। একটা প্রতন্ত্য গ্রাম , একটা মাটির দাওয়া ,উঠোন , একা আমি গার্গলরত ,আর অনেকগুলো বিস্ময় বিহ্বল দর্শক শ্রোতা। অমন সোলো কনসার্টের মত অভিজ্ঞতা এ জীবনে আর কোনোদিন হলো না ! 

আজকাল কি জানি গলার কাছে কি যেন শুধু দলা হয়ে যায় বারবার ! ব্যাথা গলা আর সারে না ………

আমাদের লেখা শুধু পাঠ ও বিনোদনের জন্য, কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়।
ছবি আন্তর্জাল : কৃতজ্ঞতা জানাই


ব্লগ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্লগ

  • বই নিয়ে মজার কিছু তথ্য
  • বই নিয়ে আলোচনা:...
  • আমাদের কথা : প্রবাস বন্ধু সম্ব...
  • পুরনো কলকাতার স্থাপত্য
  • গী দ্য মপাসাঁ:...
  • বাংলা অক্ষর
  • রামনিধি গুপ্ত ( নিধুবাবু )
  • পরবাসেও কলকাতা
  • সোলো কনসার্ট
  • যখন :...
Copyright (C) 2020