প্রবাস বন্ধু পাঠচক্র ও গ্রন্থাগার

হিউস্টন, টেক্সাস
Menu   ≡ ╳
  • Home
  • আমাদের কথা
    • স্মৃতির বারান্দায়
    • সদস্য ও সদস্যা
    • শুধু সদস্য/সদস্যাদের জন্য
  • সাহিত্য সভা
    • ক্যালেন্ডার
    • আগামী সভা
    • পুরোনো সভা
  • পত্রিকা
    • আগামী পত্রিকা
    • লেখা জমা দেওয়া
    • প্রকাশিত পত্রিকা
  • গ্রন্থাগার
    • বইয়ের তালিকা
    • বাংলা ই-লাইব্রেরী
  • লেখক/লেখিকা
  • সাক্ষাৎকার
  • ব্লগ
  • অন্যান্য বিষয়
  • ছবির অলিন্দে
  • যোগাযোগ করুন
Menu
  • Home
  • আমাদের কথা
    • স্মৃতির বারান্দায়
    • সদস্য ও সদস্যা
    • শুধু সদস্য/সদস্যাদের জন্য
  • সাহিত্য সভা
    • ক্যালেন্ডার
    • আগামী সভা
    • পুরোনো সভা
  • পত্রিকা
    • আগামী পত্রিকা
    • লেখা জমা দেওয়া
    • প্রকাশিত পত্রিকা
  • গ্রন্থাগার
    • বইয়ের তালিকা
    • বাংলা ই-লাইব্রেরী
  • লেখক/লেখিকা
  • সাক্ষাৎকার
  • ব্লগ
  • অন্যান্য বিষয়
  • ছবির অলিন্দে
  • যোগাযোগ করুন
 

সেই কান্না: উদ্দালক ভরদ্বাজ

সেই কান্না | উদ্দালক ভরদ্বাজ| | কবিতা পাঠ |

একটা সবুজ মন ছিল,
আর একটা বিষণ্ণ খয়েরি পাখি।

একটা শতচ্ছিন্ন শতরঞ্চি ছিল
চিলেকোঠার ঘরটাতে।
রাজ্যের শালিখ পাখি এসে জড়ো হত সেটায়
একটু বৃষ্টির উপক্রম দেখলেই।
শুধু বিষণ্ণ খয়েরি পাখিটা যেত না;
একা একা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজত
তুমুল বৃষ্টিতে।

যেন কোনও পরওয়াই নেই।
কিম্বা অপেক্ষায় কারো-
যে আসবে না কোনদিন, তবু…
পথ-চাওয়াতেই শুধু যেন অধিকার তার,
ছেড়েছে প্রত্যাশা বহু দিন।
ভিজে যাওয়া ছাড়া, দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া
আর কোনও অর্থ নেই জীবনে আর।

শুধু বসন্তের উপক্রমে মাঝে মাঝে সে উড়ে যেত
খোয়াই-ঝিল পথের শেষে, যেখানে
জঙ্গল আর আকাশ মিশে থাকে,
সেইখানে একটা রক্ত করবি গাছের কাছে উড়ে যেত সে।
একমনে, নিঝুম দাঁড়িয়ে দেখত-
রক্তের ফোঁটার মত কুঁড়ি থেকে ছোট ছোট ফুলের হয়ে ওঠা
ভারি ভালো লাগত তার।

রৌদ্রের সোনালী এসে জাগাত স্বপ্নের কুঁড়িগুলোকে,
রক্তরঙ সোনা মেখে কি এক অদ্ভুত নেশায় জেগে উঠত উৎসুক কুঁড়িগুলো…
প্রেরণায়, প্রেমে, অসংযমী বাঁচার ইচ্ছায়
দুলে দুলে উঠত ফলন্ত, নিষ্পাপ কুঁড়িগুলো;
ফুল হয়ে ছেয়ে থাকতো মায়ের শরীরে কিছুদিন…
তার পর একদিন হাওয়ার তোড়ে, শুকনো, বাদামি, ঝরে যেত ম্রিয়মাণ।
খয়েরি পাখিটা তখন এক-পা, দু-পা ফেলে ওদের কাছে গিয়ে
আলগোছে ঠোঁটে তুলে, উড়ে যেত।

খরস্রোতা মৃন্ময়ী নদীর জলে মৃত ফুলগুলোকে ভাসিয়ে দিয়ে
চুপ করে দাঁড়াত সে লাগোয়া ঘাসের জমিতে।
দু চোখে শিশিরকণা, হয়ত আলোর চেয়ে অন্ধকার ভারি-
এই ভেবে বাথার শরীরে তার অন্য আলো ছড়াত সে কিছু ক্ষণ
ফিরে যেত তার পর, পশ্চিম আকাশ পেরিয়ে-
তার একান্ত বাসায়,
নিবিড় ঘুমের ঘরে দিত ডুব।
.
খয়েরি পাখিটা-
ভালবাসা পায় নি বলে, ভালবাসত খুব

ব্লগ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্লগ

  • বই নিয়ে মজার কিছু তথ্য
  • বই নিয়ে আলোচনা:...
  • আমাদের কথা : প্রবাস বন্ধু সম্ব...
  • পুরনো কলকাতার স্থাপত্য
  • গী দ্য মপাসাঁ:...
  • বাংলা অক্ষর
  • রামনিধি গুপ্ত ( নিধুবাবু )
  • পরবাসেও কলকাতা
  • সোলো কনসার্ট
  • যখন :...
Copyright (C) 2020